সংশপ্তক ফিরছে ৩০ বছর পর, ঢাকামুখী পোশাক শ্রমিকরা

করোনাকালে ঘরবন্দি মানুষের বিনোদনের জন্য জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তক পুনরায় প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। অন্যদিকে ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করছেন পোশাক শ্রমিকরা। আজ শনিবার সকালে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ধরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার শতাধিক মানুষকে ফিরতে দেখা গেছে।

সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এ নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন ইমদাদুল হক মিলন। পরিচালনা করেন আবদুল্লাহ আল মামুন, আল মনসুর ও মোহাম্মদ আবু তাহের।
প্রায় ৩০ বছর পর আবার এই ধারাবাহিকটি প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে টেপ থেকে ধারাবাহিকটি ট্রান্সফারের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ৬ এপ্রিল থেকে কোথাও কেউ নেই ও বহুব্রীহি প্রচার শুরু করার পর, দর্শকদের আগ্রহের কথা বিবেচনা করে সংশপ্তক প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশন।
প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টা ও ৯টায় যথাক্রমে প্রচারিত হচ্ছে কোথাও কেউ নেই ও বহুব্রীহি। গত ৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বহুব্রীহি নাটকের বাকি অংশ প্রচার শেষ হলেই সংশপ্তক প্রচারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ফেরদৌসী মজুমদার, হুমায়ুন ফরীদি, রাইসুল ইসলাম আসাদ, মুজিবুর রহমান দিলু, মামুনুর রশীদ ও সুবর্ণা মুস্তাফা।

আবারো ঢাকামুখী পোশাক শ্রমিকরা
করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করছেন পোশাক শ্রমিকরা। আজ শনিবার সকালে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ধরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার শতাধিক মানুষকে ফিরতে দেখা গেছে।


তারা বলেন, আগামীকাল থেকে ঢাকা ও আশপাশের শিল্প কারখানা ও গার্মেন্টস খুলবে। কাজে যোগ দিতে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, রিকশা, পায়ে ঠেলা ভ্যান ভাড়া নিতে হয়েছে।
কেউ কেউ পায়ে হেঁটেই রওনা হয়েছে গন্তব্যের উদ্দেশে। সাভারের একটি কারখানায় কাজ করেন মাদারীপুরের মো. সজিব হোসেন। তিনি বলেন, ‘কাল কারখানা খুলবে। না গেলে চাকরি থাকবে না। তাই স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে ফিরছি। যানবাহন বদলে বদলে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত এসেছি। তিন গুণ বেশি ভাড়া লেগেছে।’
মানিকগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক মো. রাসেল আরাফাত বলেন, শুক্রবার রাত থেকে ঢাকামুখী পোশাককর্মীদের ভিড় চোখে পড়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের গণপরিবহন সড়কে চলতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকে পায়ে হেঁটেও যাচ্ছেন।