প্রাথমিক বিপর্যয় সামলেছে ইংল্যান্ড

ব্যাটিংয়ে নেমেই চাপে পড়েছিল ইংল্যান্ড। স্কোরবোর্ডে ১২ রান যোগ হতে না হতেই নেই ৩ উইকেট। একে একে বিদায় নিয়েছিলেন দুই ওপেনার ররি বার্নস, সিবলি এবং অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। পোপকে সঙ্গে নিয়ে ঠিক ৫০ রানের জুটি গড়ে অধিনায়ক জো রুট দলের প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন। দলীয় ৬২ রানের মাথায় ক্রিজে এলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস বাটলার। তিনি জুটি বাঁধলেন পোপের সঙ্গে। এরা দ্বিতীয় দিনশেষে অবিচ্ছিন্ন আছেন। পোপ (৪৬) ও বাটলার (১৫) আজ তৃতীয় দিনের ব্যাটিং আরম্ভ করবেন।
এর আগে স্টুয়ার্ট ব্রডের আবেদনে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন শান মাসুদ। পাকিস্তানি ওপেনার অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। আউট হলেন ১৫৬ রানে।
৩১৯ বলে ১৮ চার আর ২ ছক্কায় গড়া শান মাসুদের দেড়শ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংসটি থামার পর যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচল ইংলিশরা। কিছুতেই যে আউট করা যাচ্ছিল না এই বাঁহাতিকে। একটা প্রান্ত ধরে ধরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।

প্রাথমিক বিপর্যয় সামলানোর পর ইংল্যান্ড এখন তাকিয়ে আছে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস বাটলার ও পোপের ব্যাটের দিকে। এরা দ্বিতীয় দিনশেয়ে অবিচ্ছিন্ন আছেন

ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেই ওপেনিংয়ে নেমে দলের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফিরেছেন শান মাসুদ। এর মধ্যে কতজন এসেছেন আর গেছেন। একমাত্র বাবর আজম ছাড়া বলার মতো কিছু করতে পারেননি টপ অর্ডারের কেউ।
বাবর আজমের ৬৯ রানের ইনিংসের পরও অবশ্য একটা সময় ১৭৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেখান থেকে লোয়ার অর্ডারের শাদাব খানকে নিয়ে ১০৫ রানের বড় জুটি গড়েন শান মাসুদ। দলীয় ২৮১ রানের মাথায় শাদাব ৪৫ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি।
এরপর আরও দুই সঙ্গী হারিয়ে শান মাসুদও সাজঘরের দিকে হাঁটেন ১৫৬ করে। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি, যার মধ্যে টানা তিন ইনিংসে তিনটি। বাঁহাতি এই ওপেনার আউট হওয়ার পর আর খুব বেশিদূর এগোতে পারেনি পাকিস্তান। ১০৯.৩ ওভারে অলআউট হয়েছে ৩২৬ রানে।
ইংল্যান্ডের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড আর জোফরা আর্চার। ২ উইকেট শিকার ক্রিস ওকসের।

স্কোর

পাকিস্তান : শান মাসুদ ১৫৬, আবিদ ১৬, আজহার ০, বাবর ৬৯, আসাদ শফিক ৭, রিজওয়ান ৯, শাদাব ৪৫, ইয়াসির ৫, আব্বাস ০, আফ্রিদি ৯, নাসিম শাহ ০; অ্যান্ডারসন ৬৩/১, ব্রড ৫৪/৩, ওকস ৪৩/২, আরচার ৫৯/৩, বেস ৭৪/১।

ইংল্যান্ড : বার্নস ৪, সিবলি ৮, রুট ১৪, স্টোকস ০, পোপ ৪৬, বাটলার ১৫*; শাহীন শাহ আফ্রিদি ১২/১, আব্বাস ২৪/২, ইয়াসির শাহ ৩৬/১।